রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৮:৩৪
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছে

অনলাইন ডেস্ক  সেনাবাহিনী ও উগ্রপন্থী বৌদ্ধদের নির্যাতনে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মহানুভবতা ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদের রাষ্ট্রদূত রেন্সে তিরিঙ্ক।

ইইউ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রায় ১৩৯ কোটি টাকা (১৪ মিলিয়ন ইউরো) নতুন অনুদান দিয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর যৌথভাবে চলমান নিবন্ধন কার্যক্রমকে সাহায্য করবে।

ইউএনএইচসিআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগণের সুরক্ষা ও সহায়তার জন্য এ অনুদানকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

রাষ্ট্রদূত রেন্সে তিরিঙ্ক বলেন, ইউএনএইচসিআরের জন্য আমাদের এই ফান্ডিং সেই মহানুভবতা ও মানবিকতার প্রতি একটি অবদান।

এটি বৈশ্বিকভাবে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় টিম ইউরোপের কার্যক্রমের একটি অংশ। আর এর লক্ষ্য হচ্ছে– মহামারীর কারণে শরণার্থী সংকট যেন আরও খারাপ না হয় তা নিশ্চিত করা।

নিবন্ধনের মাধ্যমে শরণার্থীদের সহায়তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। আরও নিশ্চিত করা যায় যেন নির্দিষ্ট ও বিশেষ সেবা পাওয়ার যোগ্য মানুষেরা সুরক্ষা পায় এবং সবাই যেন সুষ্ঠুভাবে মানবিক সাহায্য পায়।

এই অনুদান আরও সাহায্য করবে ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের ক্ষমতায়ন, সবার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, কোভিড-১৯ মোকাবেলা কার্যক্রম এবং কক্সবাজারে করোনায় আর্থ-সামাজিক প্রভাব মোকাবেলা সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড।

২০১৭ সালে নতুন করে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীর আগমনের পর থেকে অতিপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, আশ্রয় তৈরি, পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি এবং বর্ধিত আকারে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ইউএনএইচসিআরসহ অন্য মানবাধিকার সংস্থা মিলে বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্য করে আসছে।